বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
কথায় আছে রাখে আল্লাহ মারে কে। তেমনি একটি ঘটনা ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্যে। সেখানে এক কিশোর ১০০ ফুট ওপর থেকে পড়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে। এতে তার পরিবার স্বস্তি নেমে আসে। কিন্ত তার আগে তারা বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিলা। এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। অনেকে মন্তব্য করে ছেলেটির প্রসংশা করেছেন। এবং তার জন্য ইশ্বরের কাছে প্রার্থনাও করেছেন।
জানা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অসাবধানতাবশত প্রায় ১০০ ফুট (৩০ মিটার) গিরিখাতে পড়েও প্রাণে বেঁচে গেছে এক কিশোর। উত্তর আমেরিকার অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত গিরিখাত গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন থেকে পড়ে যায় ছেলেটি।
তবে সেই কিশোর গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। তার নাম ওয়াট কাফম্যান। ছেলেটির বয়স ১৩ বছর। সোমবার (১৪ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন থেকে পিছলে প্রায় ১০০ ফুট পিছলে নিচে পড়ে যাওয়ার পরে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর বেঁচে গেছে। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় এই পর্যটন স্থানের নর্থ রিমের প্রান্ত থেকে পড়ে যায় সে।
অবশ্য নিচে পড়ে যাওয়ার পর ওয়াট কাফম্যানকে দুই ঘণ্টা মধ্যে নিরাপদে উদ্ধার করে জরুরি বিভাগের কর্মীরা। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে সেখান থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ওয়াট একটি স্থানীয় টেলিভিশন স্টেশনকে বলেছেন, অন্যদের ছবি তোলার সুযোগ দিতে রাস্তা থেকে সরে যাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। হাসপাতালে থাকার সময় তিনি বলেন, ‘নিচে পড়ে যাওয়ার পরে আমার আর কিছুই মনে নেই।’
তিনি বলেন, ‘আমার শুধু মনে আছে একটু জেগে উঠে নিজেকে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে দেখতে পাই। তারপর প্রথমে একটি হেলিকপ্টারে এবং পরে প্লেনে করে এখানে আনা হলো।’
এদিকে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন থেকে প্রায় ১০০ ফুট নিচে পড়ে যাওয়ার পর ওয়াট কাফম্যানের বেশ ভালোই আঘাত লেগেছে। অন্যান্য আঘাতের মধ্যে তার নয়টি কশেরুকা ও হাত ভেঙে যায়। দুর্ঘটনার পর কয়েক ডজন জরুরি কর্মী উদ্ধারকাজে অংশ নেন।
অবশ্য ছেলেকে জীবিত ফিরে পাওয়াই ওয়াটের পরিবার বেশ উচ্ছ্বসিত। তার বাবা ব্রায়ান কাফম্যান বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকের কাজের জন্য তাদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আমরা ভাগ্যবান যে, আমরা আমাদের বাচ্চাকে বাক্সের (কফিনের) পরিবর্তে গাড়ির সামনের সিটে বসিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসতে পেরেছি।’